Tuesday, 26 March 2024

Are There only two worshipping routes for mankind ie. Full Muslim(Quran-Sunnah) or pure sacred Ahle Kitab Muslim(Equivalent-Qasr-Sufi Muslim/pure-sacred nonMuslims)(Quran-Sunnah, Injil, Tawrat) in the earth for heavens?

 Quran Sunnah is available for mankind's worships.
Science & technologies will easy mankind' life future gradually. Leadership will be united once and people of world also will be united working together. Many books will assist us on these including my books. I have been working to develop my books largely, that's why I need more time future including expert teams. Now I am very busy in professional and personal life, future I would again try to assist writting numerous books on many subject matters, InshaAllah. But my unfinished books, articles would also assist experts, I think so. I always request to use my books, writtings for good purposes helping mankind.



Note: It is noted that people must be aware on misguidance, misunderstanding, etc on my writing as Eblish Azajil Saytan will mislead people using it through many ways including religious scholars. Quran mentions he always try to mislead pious people for wrongdone. My book suggested Qasr rules of worships is only advised for entire nonMuslims where it is mentioned righteouness, just, etc called even Arabic word Imam Mahdi training processes, styles, etc based on grounds like difficulties to adapt new something e.g. Quran Sunnah with Tawrat -Injil consistency practice for nonMuslims or only Qasr under Quran Sunnah and it is also called Isa-Jesus Mashiah salvation being reformed something like treatment for diseases or shortcoming for developments as well as it also called hereditary guardianship duties performance of all Prophets teaching Tawhid with good deeds virtue earning process for all sects of earlier Prophets for their salvation called Abrahamism. Muslims will practice Qasr rules of worships sometimes when they face difficulties grounds where entire nonMuslims will always practice Qasr. In fact, I have been facing financial difficulties for long time consequences upset that doesn't mean I am Imam Mahdi mentioned in Hadith stating he will be upset failing to establish his reign, Islamic Caliphate though I have mentioned in my book it is one of the good, righteouness process establishing QuranSunnah to nonMuslims as a whole gradually considering their circumstances. If people apply Hadith literally on my books, then they can claim current onging Imam Mahdi sect has been ablished as new one has been come or It is only for Muslims as Hadiths are for Muslims where ongoing Quran sunnah worships are replealed, suspended, etc where I advice that these aren't truth and appropriate as I know best as I receive Elham devine guidances on my books. So whatever my situation is remained or fallen that doesn't effect on guidance as Quran Sunnah full Sunni worships will stay forever for full virtue where Qasr-equivalency under defenses grounds for different uses. And my book isn't mendatory for people where people can earn virtue taking advices, guidances, etc for their benefits. I have siggested to follow content books Quran Sunnah and its own expert opinions Kiyaz rules where I have developed Anglican Salah or Christians Salah prayers under Quran Sunnah, anyone expert can develop it more better ways but my developments are recognised by Elham, nothing else. Practicing worships, people don't need hold any name like Hanafi, Shia, Abrahamism, Sunni, Imam Mahdi, Malki, Jews, Christians, Sabieans, Isa Jesus Mashiah sects, etc, so any name can be given for even making new sects, groups, parties, etc as all are Muslim surrendering to almighty creator Allah and following his guidances under one of his given books 104 based on era to era, exemptions, grounds, etc. e.g. one of the virture earning methods like 'Quran, Tawrat, Injil consistency practice' is still allowed for Ahle Kitab-entire nonMuslims earning virtue after 610AD Quran arrival for entire mankind. If people want to form any new sect, they can give any new name talking authorities like government, others, countries laws, etc. People are always welcome to talk over any misleading, etc. [Email: sharifislam296@gmail.com]


https://www.academia.edu/111441293/Kitab_al_Ejmaye_Ummat_2023



31 comments:

  1. আমি একজন আইন বিশেষজ্ঞ জুরিস্ট হিসেবে ধর্মতত্ত বিষয়ে পুরোপুরি স্টাডি ও গবেষণা শেষ করার পূর্বেই অনেকগুলো এলহাম আসে। যার ফলে এলহাম ব্যাখ্যা বা অর্থ করতে কিছু ত্রুটি রয়েছে যদিও ব্যাখ্যা একেকজনের কাছে একেক রকম হয়ে থাকে। নবী ও রাসূল ঈসা আঃ এর এল্হামের ব্যাখ্যায় অর্থ এমন হবে যে, তার স্ত্রী বস্তির মত গরিব মাটির চুলায় রান্না করছে ও মেয়ে চৈকিতে বসা অথাৎ আগুন নবী ইব্রাহিম ও মুসার আঃ এর মাজেজা যা পীরেরা ব্যাবহার করে আর খাট বা চৈকিতে বসে দান ও বয়াত প্রদান করে। আর পীর গোত্র বা সমশ্রেণীসমূহ আহলে কিতাবে অমুসলিম সাধু সন্ন্যাসী, ভিক্ষু, পুরোহিত, মং, রাব্বী, পাদ্রী পোপ কার্ডিনাল ইত্যাদি নামে পরিচিত। দরিদ্র রান্নাঘর মূলত তাদের উপাসনালয় বা গবেষণাগার যেখানে বসে তাঁরা মূলত তত্ব বা বিধান প্রনয়ণ করে যা উপমা অথাৎ এসব বিধি বিধান যা আকীদা মানহাজ গুলোতে কুরআন সুন্নাহ যা বর্তমান সময়কালের কর্যকরী মানদণ্ড বা বিধান বা আইন যা থেকে তাদের প্রণীত বা সংকলিত বা প্রচলিত তত্ব বা সুন্নাহ প্রথা খুবই দুর্বল বা গরিব যা দিয়ে সওয়াব কম অর্জিত হয়। আর মেয়ে মূলত যা পীর বা পোপ বা পাদ্রীরা বিনয়ী বা কর্মহীন সংসারত্যাগী আশ্রিত অর্থে নিজেদের তুলে ধরতে উপস্থাপন করেন এবং স্ত্রী মূলত নবী ঈসার অনুশাসনে, শাসনে , তার বিধি বিধান নিয়ম কানুন দ্বারা পরিচালিত অনুসারী যা স্বামী স্ত্রীকে লালনপালন করেন তার নিয়ম কানুন দ্বারা এমন আর কামারের মতো ইব্রাহিমী ধর্মদর্শন তত্ব প্রণয়ন করেন যা মাটির চুলায় রান্না করা উপমা । আর ঈসা আঃ ৪০-৪৫ বছর বয়সে চেহেরা আলোকিত হলো এবং দরজার কাছে আমাকে একটি লাল মলাট কিতাব বই খুলে দেখিয়ে বললেন তাঁর বইটিও খুবই উজ্জ্বল ছিল যা তিনি দিয়েছিলেন। আর দরজার পাশেই একগুচ্ছ লাউগাছ যা টিনের চালে ছড়িয়েছে যা মূলত নবীজি মুহাম্মদ সাঃ এর প্রিয় খাবার চর্চা উপমা অথাৎ নবীজীও হেরাগুহায় ধ্যান করতেন যা লাউফল, বীজ, পাতা ডাটা খাওয়া যায় অথাৎ এসব অমুসলিম তথা আহলে কিতাবী ধর্মগুরু ভবিষতে কুরআন সুন্নাহ চর্চা করবে আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি ও স্থিতিশীলতা বজায় সাপেক্ষে বলে থাকেন পোপের মত যা বর্তমান মুসলিমতত্ব কুরআন সুন্নাহ বিশ্বাস ঈমান রাখে যদিও ত্রুটিপূর্ণভাবে বা কুরআন সুন্নাহ বা তাওরাত-ইঞ্জিল কিতাবী বিধি বিধান কমিয়ে বা দুর্বলভাবে চর্চা করছে যা ট্রুটিপূর্ণ মুসলিম অথাৎ নবীজির ছাতার নিচেই আছেন । যাইহোক আমি জুরিস্ট সঠিকভাবে তাঁদের তত্ব লিখে কিতাব বই লিখেদিয়েছি যা আমি ঈসা আঃ সামনে বলেছিলাম আর উত্তরে তিনি মূলত তার কিতাবের প্রশংসা করেছিলেন যে তিনিও অতীতে অনেক উজ্জ্বল কিতাবই দিয়েছিলেন যার রাস্তা মূলত বর্তমানে নবীজির ধর্মতত্বের কুরআন সুন্নাহর সিলেবাসের ভিতর বা ছাতার নিচে আশ্রয় নেওয়া অথাৎ কুরআন সুন্নাহ মাহজাব(২০০ কোটি মুসলমান), বিকল্প রাস্তা যা ব্যাতিক্রম মাহজাব(৬০০কোটি অমুসলিম) কুরআন সুন্নাহ, তাওরাত-ইঞ্জিল সামঞ্জস্যতা চর্চা করে মুসলিম যা আব্রাহামী ধর্মদর্শনের রাস্তায় পথে থাকা আর সাধ্যমত সওয়াব অর্জন করা । যা সঠিক পন্থা ও উপায় কুরআন সুন্নাহ বর্ণিত রয়েছে যা এলহাম দ্বারা স্বীকৃত হয়েছে মাত্র উপমাকারে আমার বুঝার স্বার্থে যেহেতু আমার সরাসরি মাদ্রাসায় বা আহলে কিতাবী প্রতিষ্ঠানে ধর্মতত্ত্ব প্রশিক্ষণ নেই এবং কোনো গুরুও নেই যাঁদের আমি হুবহু মেনে চলি তবে মুসলিম ও অমুসলিম বহু ধর্মগুরু থেকে জ্ঞান নিয়েছি এবং তারপর নিজেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে তত্ব প্রচার করেছি এবং সঠিক হিসেবে তা গ্রহণের আহ্ববান করেছি ৬০০কোটি অমুসলিম কে যা তাদের বিকল্প পথ যদি তারা হুবহু মুসলিম না হয় আর আমিতো আমাদের আমাদের সালাফি আলেমদের মতই এবাদত তত্ব সাধ্যমত চর্চা করি পূর্ণ মুসলিম বিশ্বাসী হিসেবে যা অথাৎ দুনিয়াতে আমিই আমার বইয়ের বিষয়ে প্রধানবিচারপতি আর আকাশে মহান আল্লাহ যা এলহাম দ্বারা আল্লাহ দিকনির্দেশনা ও সত্যায়ন দিলেন মাত্র যা মূলত ঈসা আঃ উপমা যা ঈসা আঃ মধ্য বয়সে যোগাযোগ কুরআনে বর্ণিত হয়েছে যা হতে পারে তাই যা উপমা । অথাৎ তাত্তিক জুরিষ্ঠ লেখক হিসেবে সঠিকই দিকনির্দেশনা দিয়েছি যে ধর্মপ্রচার ও চর্চা বিষয়ে যে বিভিন্ন সক্ষমতাসম্পন্ন ছাত্রদের বিভিন্ন গরূপে বিভক্ত করে প্রশিক্ষণ দিয়ে উন্নত করতে হবে যা আমি বিভিন্ন মাহজাবে ভাগ ভাগ করে দিয়েছি যা নবীজীও করেছেন অলিখিতভাবে ও আনুষ্ঠানিকভাবে । আর ঈসা আঃ আসবেন ঠিক নবীজির দায়িত্ব নিয়ে একই নিয়মে প্রশিক্ষণ দিবেন ও শাসন করবেন। তবে কবে আসবেন বা প্রকাশ্যে আসবেন কিনা তা ইত্যাদি বিষয় কুরআনে বর্ণিত নেই তাই জানা নেই। আর আর্থসামাজিক বিষয়েও আমার গভীর জ্ঞান নেই , তাই স্ব স্ব গোত্রীয় ধর্মগুরুরাই তাদের নিয়ম নীতি প্রণয়ন করবেন যেখানে আমি মূলত একটি মৌলিক ত্তত্ব লিখে দিয়েছি যা গাইড বই হিসেবে উপকারে আসবে।

    ReplyDelete
    Replies
    1. এবং নবীজি ব্যাতিত কোনো গুরুও নেই যাঁদের আমি হুবহু মেনে চলি

      Delete
  2. M Shaiful Islam11 June 2025 at 00:36

    এবং নবীজি ব্যাতিত কোনো গুরুও নেই যাঁদের আমি হুবহু মেনে চলি

    ReplyDelete
  3. অথাৎ অধিক সওয়াব কুরআন সুন্নাহ ; কুরআন সুন্নাহ, তাওরাত-ইঞ্জিল ; এবং সংস্কৃতি এই নিয়েই মানুষের জীবনাচার যা আধ্যাত্বিক ইবাদত ও শাসনত্রান্তিক ব্যাবস্থাপনা । তবে প্রত্যেককেই পরিপূর্ণ মুসলিম আধ্যাতিক ইবাদত তত্ব সাধ্যমত চর্চা করে যথাসাধ্য উন্নতি করতে হবে জান্নাতগুলো(৮) অর্জনের জন্য।

    ReplyDelete
    Replies
    1. আর তাওরাত -ইঞ্জিলে নবী ও রাসূল মুহাম্মদ সঃ এর সিলেবাস, শিক্ষা আঁকড়ে ধরতে নির্দেশ বিদ্যমান।

      Delete
  4. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জয়লাভের পর খ্রিস্টানরা বেশিরভাগই বিশ্বকে নেতৃত্ব দিচ্ছে যেখানে তারা তাদের শীর্ষ পবিত্র নির্দেশিকা গ্রন্থ কুরআন সুন্নাহকে বেছে নিয়েছে এবং নবী মুহাম্মদ হলেন সর্বোচ্চ ঐশ্বরিক নেতা। এমনকি তারা কুরআন সুন্নাহের নির্দেশনা থেকে আইন, নিয়ম, সংবিধান, বিধিবিধান প্রণয়ন করেছে যা মুসলিম এবং অমুসলিম উভয়েরই মানবজাতির নেতৃত্ব দেয় যেখানে তাদের আধ্যাত্মিক ধর্মীয় ইবাদত যেমন সালাহ হজ ঈদ ইত্যাদি উন্নত করতে হবে। ঈসা আঃ মূলত ওই কথাটাই বলেছেন তিনি আল্লাহকেও বলেছিলেন যে তিনি তাঁর অনুসারীদের সঠিক দিকনির্দেশনাই দিয়েছিলেন, এমনকি নবীজি মুহাম্মদ সাঃ আসলে তাঁকে মেনে চলতে তাও অন্তর্ভুক্ত ছিল যা বাকীসকল নবীরাসূল বায়তুল মুকাদ্দাস মেরাজে সম্মিলিত রাজ্যাভিশেক স্বীকৃতি নামাজেও অনুষ্ঠানেও বলেছেন অথাৎ সকল নবীদের অনুসারীদের কুরআন সুন্নাহ চর্চা করতে হবে , এটা কোনো নতুন কথা নয়, ৬১০ সাল থেকেই চালু হয়েছে । তবে বর্তমানে এলহাম এসেছে , তাও মূলত শতাব্দীর প্রথাগত ইলহাম দিকনির্দেশনা বা পথদর্শন বা সতর্কবার্তা মাত্র যা মনে করিয়ে দেওয়া মাত্র। কারণ আহলে কিতাব আধ্যাত্বিক ইবাদতে কুরআন সুন্নাহর অনেক কাছাকাছি উন্নতি করেছে আর মনে করছে আর না করলেও চলবে কিন্তু আরো উন্নতি করতে হবে অন্তত বিশুদ্ধ কসর পদ্ধতি এবং শান্তিপূর্ণ বিশ্ব সমাজ, সমৃদ্ধ স্বচ্ছল আর্থিক সুশাসনের বিশ্ব শাসন ব্যবস্থা।

    ReplyDelete
  5. অথাৎ বিশ্ব সরকার জাতিসংঘ স্থায়ী সদস্য খ্রিস্টান গোত্র জাতির বা মাযাবের নেতৃত্বে মূলত কুরআন সুন্নাহ ও ১০৩ কিতাব আব্রাহামিক ধর্মদর্শন মুসলিমতত্ব বিশ্বে পরিচালিত হচ্ছে যেখানে অনেক ত্রুটি বিচ্যুতি বিদ্যমান যা উন্নতি করতে হবে যা ঈসা আঃ নেতৃত্বে কুরআন সুন্নাহ দিকনির্দেশনুযায়ী গোটা মানবজাতি পরিচালনা উপমা যেমন পূর্ণ মুসলিম ও অন্তর্বর্তীকালীন বিশুদ্ধ আহলে কিতাব মুসলিম । এক চোখ নষ্ট হবে দাজ্জালের যা মূলত মানবজাতির জীবনাচারে ত্রুটি অথাৎ আধ্যাতিক এবাদত ও শাসন ব্যবস্থা যা আমাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আমি যেন সংশোধন করে দেই যদিও আমার পক্ষে কমপক্ষে ২০-৫০ বিষয় সংশোধন করা দুরহ কাজ কারণ একা এতগুলো পেশাগত বিষয়ে বিশেষজ্ঞ জ্ঞান অর্জন করা খুবই কঠিন কাজ যদিও আমি বিশেষজ্ঞদের প্রচারকৃত জ্ঞানের সাহায্যে মোটামোটি কুরআন সুন্নাহর প্রাথমিক দিকনির্দেশনা তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছি । বাকি সকল বিষয়গুলো বিশেষ করে আর্থিক ও পেশাগত নানা বিষয়ের বিশুদ্ধতা, সুশৃক্ষলা, উন্নতি, সুশাসন, আইনের শাসন, নিয়ম নীতি যা মূলত বিশেষজ্ঞ টীম ও জুরিস্ট করে নিতে পারবে বলেই আমার বিশ্বাস। অথাৎ শান্তিপূর্ণ, সুখী সমৃদ্ধ বিশ্ব সমাজ ও ঐক্যবদ্ধ মানবজাতি এবং বিশুদ্ধ মানদণ্ড অনুযায়ী
    সওয়াব অর্জনের জন্য আধ্যাত্বিক ইবাদত সাধ্যমতো চর্চা করা।

    ReplyDelete
    Replies
    1. This comment has been removed by the author.

      Delete
    2. অর্থাৎ সিআইএ, আটলান্টিক কাউন্সিল, এম আই ৬,৫, মোসাদ , র এবং ইসলামী বিশেষজ্ঞ টীম মক্কা মদিনা ও আজাহার বিশ্ববিদালয়ের যৌথ সমন্বিত ঐক্যবদ্ধ বিশেষজ্ঞ টীমের নেতৃত্বে বিশুদ্ধ মানদণ্ড অনুযায়ী কিভাবে পেশাগত শাসন ব্যবস্থা ও আধ্যাতিক এবাদতে উন্নতি করা যায় তার জন্য ব্যাপক গবেষণা করতে হবে যা আমার একার পক্ষে সম্ভব নয়। তাত্বিকভাবেই বিশ্ব ব্যবস্থা বিশুদ্ধভাবে ঢেলে সাজাতে কমপক্ষে ২-৩০০ চৌকস জনবল দরকার। আর অবশ্যই তা সাজ্জাতে হবে কারণ অমুসলিম আধ্যাতিক এবাদতে কিছু ত্রুটি দূর করতে হবে এবং গোটা মানবজাতির আর্থ-সামাজিক জীবনাচারে ত্রুটি দূর করতে হবে। আর এই ত্রুটিই হলো দাজ্জাল বা প্রতারণা বা ত্রুটিপূর্ণতা যা আমাদের ব্যাক্তি ও পেশাগত জীবনাচারে বিদ্যমান।

      Delete
    3. অবশ্য বাংলাদেশ, পাকিস্তান , চীন ভারতসহ নানাদেশে ইসলামসহ, তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব ও পেশাগত অন্যান্য বিষয়ে বহু বিশ্ব বিশেষজ্ঞ রয়েছে যেখানে আমি মূলত কয়েকজনের কথা উল্লেখ করেছি মাত্র।

      Delete
    4. This comment has been removed by the author.

      Delete
    5. অর্থাৎ সিআইএ, এফবিআই , আটলান্টিক কাউন্সিল, বিশ্ব পলিসি মেকিং সংস্থা ইনস্টিটিউট ফর পাবলিক পলিসি রিসার্চ (IPPR),আন্তর্জাতিক খাদ্য নীতি গবেষণা ইনস্টিটিউট (IFPRI), সিপিডি, জাতিসংঘ UNRISD, UNEP, UNU, UNDP, এবং UNITAR, বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, ইআরসি , এমআই ৬,৫, মোসাদ , র এফএসবি, এমএসএস, ব্রিটিশ ও আমেরিকান আইনজীবীদের বার , আইসিজে এবং ইসলামী বিশেষজ্ঞ টীম মক্কা মদিনা ও আজাহার বিশ্ববিদালয়ের যৌথ সমন্বিত ঐক্যবদ্ধ বিশেষজ্ঞ টীমের নেতৃত্বে বিশুদ্ধ মানদণ্ড অনুযায়ী কিভাবে পেশাগত শাসন ব্যবস্থা ও আধ্যাতিক এবাদতে উন্নতি করা যায় তার জন্য ব্যাপক গবেষণা করতে হবে যা আমার একার পক্ষে সম্ভব নয়। তাত্বিকভাবেই বিশ্ব ব্যবস্থা বিশুদ্ধভাবে ঢেলে সাজাতে কমপক্ষে ২-৩০০ চৌকস জনবল দরকার।

      Delete
  6. জাতিসংঘের প্রধান কাজ ও লক্ষ্য হল বিশ্ব শান্তি, নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি আর্থসামাজিক ও মানবাধিকারের উন্নতি ও বাস্তবায়ন করা ও প্রচার, প্রসার করা। ঐক্যবদ্ধ বিশ্ব শান্তি, নিরাপত্তা, সামাজিক ন্যায়বিচার যা ঐক্যবদ্ধ আর্থ-সামাজিক সমৃদ্ধি ও মানবাধিকারের উন্নতি করাই হলো আইনের শাসন নিশ্চিত ও বাস্তবায়ন করা । আর এসব বাস্তবায়ন হলেই গোটা মানবজাতি সাচ্ছন্দে পরিপূর্ণ আধ্যাত্বিক ইবাদতও করতে পারবে।

    ReplyDelete
  7. বিশ্ব জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে, এর ব্যবস্থাপনায় নানা সমস্যা বিদ্যমান যেখানে জুরিস্ট, আইনপ্রণেতারা বা আইনজীবীগণ যেহেতু নিয়ম নীতি ইত্যাদি প্রণয়ন করে থাকে। তাই মানুষের মধ্যে নীতিবাচক ধারণা তৈরী হয় যেমন ধর্মগুরুদের প্রচার ও সমালোচনা থেকে যে ইসলাম মেনে বিধিবিধান প্রণয়ন করলে নিশ্চয় বিশ্ব সমস্যা দূর হয়ে যেত কারণ বিশ্বে ১০০ কোটি মানুষ তিন বেলা খেতে পায় না আবার কোথাও খাদ্য ব্যাপক অপচয় হয়ে পচে। কুরআনের সহজ কথা হল, বিশ্বে মানুষ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন করবে, এসবে একদল আরামদায়কভাবে কাজ করবে , ভালো স্বচ্ছল মুজুরি নিবে, আরেকদল কাজ না পেলেও এসব থেকে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় ভাতা পাবে অথাৎ কেউ না খেয়ে থাকবে এমন সুযোগ নেই। আর এটা বাস্তবায়ণ করতে গিয়ে খেতাফত, কমিনিজম, সমাজত্রান্ত , মুক্তবাজার ক্যাপিটালিসজম, গনত্রন্ত ও সামাজিক ন্যায়বিচার আর্থসামাজিক সোসালিস্ট কল্যাণ রাষ্ট্র, ইত্যাদি নানা ফর্মুলা আবিষ্কার হয়েছে। বর্তমানে মুক্তবাজার ক্যাপিটালিজম ও গনত্রন্ত ও সামাজিক ন্যায়বিচার আর্থসামাজিক সোসালিস্ট কল্যাণ রাষ্ট্র যা চলছে বিশ্বে যেখানে মানুষের কর্ম না পেলে খাবারের ও মৌলিক অধিকারের প্রয়োজনীয় জিনিসের ব্যাবস্থা প্রচারে আছে ও অল্প বাস্তবায়নও হচ্ছে, কোনো দেশে বেশি , কম বিদ্যমান । যেহেতু বহু পেশায় সমাজ ব্যবস্থা বিভক্ত করা হয়েছে যেক্ষেত্রে সকলের সমান সুবিধাসহ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা ও সমতা, সুষম বন্টনে ত্রুটি বিদ্যমান। তবে তা ঐক্যবদ্ধভাবে দূর করা সম্ভব, খুব কঠিন কিছু নয় । অথাৎ বিশ্ব সমাজের আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থাপনা ইসলামের মৌলিক নীতির বাহিরে গিয়ে পরিচালিত হচ্ছে না বরং কম ন্যায়, ইনসাফ ও নিয়ম নীতি(সুদ , ঘুষ , বৈষম্য, দুর্নীতি , ইত্যাদি ) মধ্যে চলছে মাত্র যা যোগোপযোগী সংস্কারের মাধ্যমে উন্নতি করতে হবে ।

    ReplyDelete
  8. উল্লেখিত লিখায় আমি পোপ বলতে ছায়া ধর্মীয় প্রশিক্ষক বা ত্রাণকর্তা বা শিক্ষক বা পথদর্শনকারী বা মোটিভিশনার কারণ আমি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচিত নয় ও ক্ষমতাপ্রাপ্ত নই যা মাত্র রাজনৈতিক দলের মত প্রচার প্রচারণার মত সমর্থক তৈরী করা বা বই লেখা যা থেকে জ্ঞান গ্রহণ করে মানুষ শিখতে পারে মনে মনে তাদের পোপ বা ধর্মীয় প্রশিক্ষক ভেবে। যেহেতু আমি গোটা মানবজাতিকেই প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকি মুসলিমদের কাছে মাওলানা- ইমাম, খ্রিস্টানদের কাছে পাদ্রী, বৌদ্ধদের কাছে বুদ্ধা, হিন্দুদের কাছে পরোহিত আচায্য ব্রাম্মণ, ব্যারণ, ব্যারোনেস , ইত্যাদি একেকজনের কাছে একেকটা অথাৎ আমি কুরআন সুন্নাহ ও ইব্রাহিম ধর্মদর্শন ও আদম থেকে ১০৪ কিতাবী মুসলিমতত্ব প্রশিক্ষণ দেই যেখানে তাওহীদ এক আল্লাহ বিশ্বাস থেকে ১০০ পর্যন্ত নিয়ম কানুন মানদন্ড যা একেক শ্রেণীর মানুষের সক্ষমতা অনুযায়ী একেক রকম প্রশিক্ষণ দেই ।

    ReplyDelete
  9. Replies
    1. বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই

      Delete
  10. উল্লেখ্য, একটি বিষয় নজরে আসলো যেমন পতিতাবৃত্তি ও মুতাহ বিবাহ যা আমি হালকাভাবে আমার বইয়ে উল্লেখ করছি জাতিগোষ্ঠীর সংস্কৃতি প্রথা বৈশিষ্ঠ্য ইত্যাদি কিভাবে মদ পানের মতো শাসনত্রান্তিক আইনের মাধ্যমে বৈধ আইনি রেখে ধর্মীয়ভাবে কুরআন সুন্নাহ আধ্যাতিক এবাদত তাদের( অমুসলিমদের) মধ্যে চর্চার করানো যায় বিশেষ করে ৫টি স্তম্বের ইবাদত যা মুখ্য লক্ষ্য , ধীরে ধীরে তাদের মাঝে পরিস্থিতি অনুযায়ী হালাল হারাম ও উন্নতি করবে অর্থাৎ বিভিন্ন গোত্রে মুতাহ বিবাহ, পতিতাবৃত্তি, তালাক, বহু বিবাহ, ইত্যাদি নানা মতো পার্থক্য রয়েছে আবার এসব ভিন্ন ভিন্ন গোত্র, মানুষের সংস্কৃতি, চিন্তাভাবনার ওপর নির্ভরশীল যা মূলত রাষ্ট্রীয় আইনি কাঠামো গড়ে ওঠে এবং ধর্মীয় পাপাচার মানদণ্ড তা ভিন্ন হতে পারে অর্থাৎ যদি না কেউ পেশাদার যৌনকর্মী না হয়,
    গণহারে সর্বদা একজনের জন্য মুতাহ বিবাহ হালাল নয় , ঠিক তেমনি জুয়ার মদের ব্যাবসাও ইত্যাদি একই, বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই।

    ReplyDelete
  11. https://m.youtube.com/channel/UCulgxxYEdRpTJaGedvyZYHQ

    ReplyDelete
  12. World people especially nonMuslims will start now practicing spiritual worshipping under Quran-Sunnah like 5 pillars having current Zakat taxation, donation norms with ongoing economic systems, growth and investment, entrepreneurs managements.
    Once people being gradually pious leaving shortcomings like alcohol, pigs, gambling, Riba, etc, then people will automatically reach a trust, well designed welfare economic systems what I mentioned in my book where trusts systems economic welfare cooperative managements will automatically grow under like Paris climate deals within approximately 50-100 years. I think so examining global situations.

    ReplyDelete
  13. It is noted that the Book isn't treated as literally Hadiths mentioned Isa-Jesus salvation mashiah and Imam Mahdi righteousness leadership rather it can be treated as own expert opinion opinion Kiyaz has been recognised through Elham guidances. E.g Hadiths mentioned Jesus-Isa A will come on Syrian white mosque and Angel Jibrael A will introduce Imam Mahdi in front of Kaaba with loud sky sound voice, etc that is totally different mattes. Don't be misunderstood here. I am not discussing here whether Hadiths are correct or not as that isn't my subject matter here as the Book is only designed for earning virtue for heavens as part of the training methodology of practicing worships under Sufism phenomena and Qasr-Cardinal rules systems especially for entire nonMuslims. Thanks

    ReplyDelete
  14. উল্লেখিত বইয়ে ধর্মগুরু বা কাউরো সমালোচনা করা হয়নি তবে সাদৃশ্য বৈসাদৃশ্য বা গঠনমূলক ইতিবাচক নেতিবাচক বিষয় বা অনেক সময় মানবজাতির মনোভাব চিন্তাচেতনা ইত্যাদি পক্ষে বিপক্ষে আলোচনা, দোষত্রুটি বিশ্লেষণ করতে হয়েছে যাতে সমাধান বা সংস্কার নিয়ে আলোচনা করা যায়। বিস্তারিত আলোচনা , পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণে দেখা গেছে ইসলাম প্রতিষ্ঠা বা আধ্যাতিক ইবাদত চর্চা শুধু ধর্মগুরুদের ইচ্ছা অনিচ্ছা, চিন্তাভাবনার ওপর এককভাবে নির্ভরশীল নয় কারণ এটি ব্যাক্তি , সমাজ , গোত্রের ,জাতির , মানবজাতির ওপর সামগ্রিকভাবে নির্ভরশীল। আর এটি সংস্কার একদিনে এককভাবে কাউরো পক্ষে সম্ভব নয় যা ধীরে ধীরে বিশ্ববাসী করবে তবে বিভিন্ন সমাধান নিয়ে আলোচনা করেছি যা একটি গবেষণাধর্মী লেখা হিসেবে অনেক ক্ষেত্রে সাহায্য হবে বলে মনে হয়, তাই বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই।

    ReplyDelete
  15. This comment has been removed by a blog administrator.

    ReplyDelete
  16. উপমা খ্রিস্টান খুৎবায় ট্রিনিটি GOD(আল্লাহ, যীশু -ইঞ্জিল কিতাব, পবিত্র আত্মা) হল LORD শাসক যা উদাহরণস্বরূপ সারমর্ম প্রকাশ কোড ''প্রেসিডেন্ট(/রাজা ), প্রধানমন্ত্রী -কেবিনেট, প্রধান বিচারপতি, স্পিকার তিনজন মিলে একত্রে শাসক(বা প্রধান বিচারপতি, স্পিকার / রাষ্ট্রীয় স্তম্ভ(মিডিয়াসহ ৪টি )'' কিন্তু যার যার অবস্থান মর্যাদা শক্তি ক্ষমতা ভিন্ন ভিন্ন যদিও কাজের লক্ষ্য উদ্দেশ্য একই মানব কল্লাণ । আমার বইয়ে মূলত উপমা অর্থে রাষ্ট্রীয় ৪ স্তম্ভকে মূলত অধিক শক্তি বুঝতে রাজা বা প্রেসিডেন্ট নেতৃত্বে তাঁর অধীনস্থ সামরিক বাহিনী কে শক্তিশালী প্রশাসন বা নিরাপত্তা স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে মাত্র যা প্রাতিষ্ঠানিক কোনো বিষয় নয় যেহেতু কেবিনেটের রাজনীতিবিদ নির্বাচিত হয়ে আসে যায় আবার বেসামরিক প্রশাসন নিরস্ত্র দুর্বল । ট্রিনিটিকে বুঝতে গিয়ে উদাহরণস্বরূপ শাসকের একটি উদাহরণ দেওয়া হয়েছে মাত্র। অথাৎ একটি আলোচনায় যুদ্ধ ও অস্ত্র উৎপাদন এবং এসব খরচ অংশে সংবিধান ও রাষ্ট্রযন্ত্র রক্ষায় সামরিক বাহিনীর একটি গুরুত্ব রয়েছে যা বুঝানো হয়েছে মাত্র। ফলে বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই। আবার ধর্ম আধ্যাতিক ইবাদত ও জাগতিক শাসনকার্য উভয়ই পরিচালনার কাজ শাসকশ্রেণীর ধর্মগুরুসহ ।

    ReplyDelete
  17. উপমা খ্রিস্টান খুৎবায় ট্রিনিটি GOD(আল্লাহ, যীশু -ইঞ্জিল কিতাব, পবিত্র আত্মা) হল LORD শাসক যা উদাহরণস্বরূপ সারমর্ম প্রকাশ কোড ''প্রেসিডেন্ট(/রাজা ), প্রধানমন্ত্রী -কেবিনেট, প্রধান বিচারপতি, স্পিকার তিনজন মিলে একত্রে শাসক(বা প্রধান বিচারপতি, স্পিকার / রাষ্ট্রীয় স্তম্ভ(মিডিয়াসহ ৪টি )'' কিন্তু যার যার অবস্থান মর্যাদা শক্তি ক্ষমতা ভিন্ন ভিন্ন যদিও কাজের লক্ষ্য উদ্দেশ্য একই মানব কল্লাণ । আমার বইয়ে মূলত উপমা অর্থে রাষ্ট্রীয় ৪ স্তম্ভকে মূলত অধিক শক্তি বুঝতে রাজা বা প্রেসিডেন্ট নেতৃত্বে তাঁর অধীনস্থ সামরিক বাহিনী কে শক্তিশালী প্রশাসন বা নিরাপত্তা স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে মাত্র যা প্রাতিষ্ঠানিক কোনো বিষয় নয় যেহেতু কেবিনেটের রাজনীতিবিদ নির্বাচিত হয়ে আসে যায় আবার বেসামরিক প্রশাসন নিরস্ত্র দুর্বল । ট্রিনিটিকে বুঝতে গিয়ে উদাহরণস্বরূপ শাসকের একটি উদাহরণ দেওয়া হয়েছে মাত্র। অথাৎ একটি আলোচনায় যুদ্ধ ও অস্ত্র উৎপাদন এবং এসব খরচ অংশে সংবিধান ও রাষ্ট্রযন্ত্র রক্ষায় সামরিক বাহিনীর একটি গুরুত্ব রয়েছে যা বুঝানো হয়েছে মাত্র। ফলে বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই। আবার ধর্ম আধ্যাতিক ইবাদত ও জাগতিক শাসনকার্য উভয়ই পরিচালনার কাজ শাসকশ্রেণীর ধর্মগুরুসহ । রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা জনিত কারণে কিছু অতি গুরুত্বপূর্ণ পদ প্রেসিডেন্ট , প্রধানবিচাপতি , সামরিক বাহিনী প্রধান ইত্যাদি ক্ষেত্রে কিছু কিছু সময় বা ক্ষেত্রে ধর্মীয় বিষয় নিয়োগের ক্ষেত্রে হালকা বিবেচনায় উল্লেখ করেছি অবস্হিত করার ক্ষেত্রে চাকরিবিধি নিয়মের বাহিরে রেখে অনেক সময় সংঘঠনে উৎসাহিত করা যায় সুযোগ থাকলে তা হালকা আলোচনা করা হয়েছে মাত্র যা কাজের ক্ষেত্রে কাজের জগত অবশ্যই ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর নিভরশীল নয় তা প্রাধান্য বজায় রেখেই আলোচনা করা হয়েছে ,বৈষম্যমুক্ত বিধি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যেহেতু বইটি মূলত আধ্যাতিক ইবাদত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে, পরামর্শ দেওয়া হয়েছে আবার অনেক দ্রুত লেখা হয়েছে তাই পেশাগত বিষয়ে পরামর্শ অনেক দুর্বলতা রয়েছে কারণ পেশাগত ও অর্থনৈতিক ইত্যাদি শাসনত্রান্তিক বৈশিষ্ঠ্যসমূহ নিয়ে গভীর গবেষণা উল্লেখ করা হয়নি কারণ আধ্যাতিক ইবাদত অংশই মূলত প্ৰাধান্য দেয়া হয়েছে। ফলে বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই।

    ReplyDelete
  18. This comment has been removed by the author.

    ReplyDelete
  19. This comment has been removed by the author.

    ReplyDelete
  20. This comment has been removed by the author.

    ReplyDelete
  21. It is noted that many issues like spiritual worships and governance have been discussed in this book as Quran, Bible, Torah, Injil have discussed all issues for suggestion, example, guidances, rule of law, etc purposes where every state law enforcing agencies and judiciary impliment state authorise effective and enacted laws under state constitution and parliament bodies though some laws are also literally discussed in holy books even highest capital punishment sentencing where parliament enact laws considering people's necessities, capabilities, effectiveness, acceptance, just, culture, circumstances, economic, professional, state systems, globalization, mankind inclusiveness, etc, social, political matters and that is effective laws for state where holy books discussed laws are postponed on subject matters. I have also disscussed laws in my books based on similar norms of Quran, earlier holy books suggesting, giving knowledge on many issues including how state enact laws and impliment it , even gradually improve the situation under liberalism, forgiveness norms like reformatory prison system for people instead of extreme or highest punishment but every department or section of profession has different different duties, responsibilities where religious scholars aren't responsible to practice these laws establishing Islam in earth as it is shifted on others like state responsible authorities. Even Muslims, named nonMuslims both are now all most similar on professional, financial issues including countries cultural matters though religious faith sometimes varies different thinking especially issues like marriages, divorces, mutah marriages, prostitutions, Mahar dower, club party, various entertainment, etc, e.g. Indian subcontinent nonMuslims even don't like mutah types marriage like western countries due to many reasons including economic, professional, cultural but sometimes are practiced due to necessities like unemployment arise difficulties for family life costs managements, etc but registered prostitution is allowed under laws including BD (Prostitution law 2012, Alcohol Control Rules-2022). All issues even like nightclubs, pubs, prostitution centres are used now a days for earnings as professions globally. Enacting laws on Halal Haram sinfulness acts must be discussed with state authorities, society, world like UN to be improved in the world, state, societies based on situations, effectiveness, reformation, capabilities, culture, justfiability, reasonable, etc under state laws considering human rights. Every country will run its own necessity, circumstances taking suggestions, examples, guidances, advices from books where others views will be suspended e.g. prostitution isn't moral like alcohol for Bangladesh state laws like western countries largely as somethings religious faith are moral where somethings immoral are legal under state laws as laws aren't enacted always prioritising moral sense rather necessities but law making processes are discussed in books for countries, society who are needed avoiding more sins or less sins like eating Pig sometimes nonsinful under Quran. Religious faith holds highest morality where laws are enacted for necessities priority with even less morality where morality are used learning knowledge what is right or wrong or less wrong. Don't be misunderstood. On the other hand, religious scholars can receive donation, charities from people like Musafir Saint Owais al Qarni awarding pardon, mercy prayers of divine stored sins including giving people good effective advices for their hereafter salvation.

    ReplyDelete